সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৩

গোমড়াথেরিয়াম/ ৩

পদ-কন্দুক

সন্দীপ বিশ্বাস

সম্প্রতি সন্তোষ ট্রফির ফাইনালে বাংলা কেরালার কাছে টাই-ব্রেকারে হেরে গেল । পুরো খেলাটা দেখা হয় নি, শুধু খবরে গোলগুলো দেখলাম । সেইসঙ্গে বহুদিন আগের একটা স্মৃতি মনে পড়ে গেল। সেবারেও বাংলা-কেরল ফাইনাল। হস্টেলে থাকি – টিভি রুমে বসে খেলা দেখছি সবাই। বলাই বাহুল্য, বাঙালি আর মালয়ালী ছাড়া অন্য কেউ বিশেষ নেই সেই ঘরে। সেবারেও টাই-ব্রেকার, কিন্তু বাংলা জিতেছিল। নির্ধারিত সময়ে বোধহয় ছিল ১-১। যেকারণে খেলাটা বিশেষভাবে মনে আছে তা হলো এইরকম… আমাদের এক বন্ধু, নিজে খুব ভালো ফুটবল ও ক্রিকেট খেলতো সেই সময়, এখন বোধহয় শুধুই গুরু-গম্ভীর প্রফেসর বিদেশী এক বিশ্ববিদ্যালয়ে, এবং শুনেছি (বোঝার ক্ষমতা নেই আমার) নিজের বিষয়ে দুনিয়া কাঁপিয়েছে… সেই ছেলেটির কাণ্ডকারখানা – ম্যাচ চলাকালীন। প্রথমে ওরা গোল দেয় (অর্ডারটা ভুলও হতে পারে আমার), তখন মালয়ালী বন্ধুরা বোধহয় একটু জোরেই আনন্দ প্রকাশ করে ফেলেছিল। তারপর বাংলা গোল শোধ দিতেই আমরা তো আরও জোরে চেঁচিয়েছি। সেই অবধিও ঠিক ছিল … কিন্তু ঐ বন্ধুটি পা থেকে হাওয়াই চপ্পল দুপাটি খুলে নিয়ে সেই দিয়ে সামনে রাখা খালি টিনের চেয়ার পিটিয়ে ভয়ংকর রকমের সেলিব্রেশন শুরু করে দেয় । মালয়ালীরা তো ক্ষেপে আগুন! এইরকম গরম আবহাওয়ার মধ্যে এক্সট্রা টাইম ও শেষে টাই-ব্রেকার । বাংলা একটা করে গোল দেয়, বা ওরা একটা করে মিস করে, আর সেই হাওয়াই-উল্লাস! শেষে ম্যাচ জেতার পর তো আমাদেরই প্রায় কান ফেটে যাওয়ার জোগাড়! সেদিন রীতিমতো হাতাহাতি বেধে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল ওখানে! ভাগ্যক্রমে দু-চারজন শুভবুদ্ধিসম্পন্ন লোকের মধ্যস্থতায় ব্যাপার অতদূর আর গড়ায় নি শেষ পর্যন্ত।

কলকাতায় মাঠে গিয়ে ফুটবল খেলা দেখার মতো মজা আর কিছুতে আছে কি না জানি না! আগেকার নব্বই হাজারের বেশি লোকে ভরা ইডেনে ক্রিকেট ম্যাচ দেখাও এক বিশেষ অভিজ্ঞতা নিঃসন্দেহে, কিন্তু আমার মতে ফুটবলের কাছে তা কিছুই নয়। সল্ট লেক স্টেডিয়াম হওয়ার আগে ‘বড় ম্যাচ’ মানেই ছিল সেই ইডেন, এবং ফুটবলপ্রেমীদের ভিড়ে তা ভরে যেত অতি অনায়াসেই। প্রথম নেহরু কাপ যেবার হলো আমি তখন উচ্চ-মাধ্যমিক পড়ি, আমার ছোটমামা আমাকে একটা সিজন টিকিট উপহার দিলেন (এইসব লোকগুলো বড্ড তাড়াতাড়ি চলে গেলো পৃথিবী ছেড়ে!) … তো কলেজের পর রোজ নিয়ম করে হাজির হতাম ইডেনে। সাথে দু-চারজন বন্ধু – যারা আমার মাতুলভাগ্যে যৎপরোনাস্তি ঈর্ষান্বিত ছিল – জুটে যেত প্রায়শঃই। উদ্বোধনের দিন (না কি ফাইনালে) ইন্দিরা গান্ধী এসেছিলেন মনে আছে। উরুগুয়ে জিতেছিল, ওদের র‍্যামোস বলে একটা ফাটানো প্লেয়ার ছিল যে আগে বা পরে বিশ্বকাপেও খেলেছিল – তাও মনে আছে। বছরকয়েক পরে … নেহরু কাপের একটা ভালো ম্যাচের টিকিট পকেটে, সেদিন আবার আমাদের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে শহর জুড়ে সাফল্যের সঙ্গে বাস ইত্যাদি পোড়ানো চলছে… কলেজ স্ট্রিটে আমাদের কলেজ থেকে এক বন্ধুর সাথে হেঁটেই পৌঁছে গেলাম ইডেন। দেখি গ্যালারি পুরো ভর্তি ! কী করে যে অতো লোক সেদিন মাঠে পৌঁছেছিল সে এক রহস্য ! কার সাথে খেলা ছিল ভুলে গেছি, আর্জেন্টিনার বোধহয় পনসে ব’লে একজন ফ্রিকিকে একটা গোল দিয়েছিল, শুধু ওটা দেখেই খাটনি পুষিয়ে গিয়েছিল সেদিন ।

সল্ট লেক স্টেডিয়াম তৈরী হওয়া আমরা প্রায় চোখের সামনে দেখেছি । তখনকার সরকার ফান্ড তোলার জন্য লটারির আয়োজন করেছিল, টিকিটের দাম ছিল বোধহয় দশ টাকা – প্রাইজ ছিল সল্ট লেক আর ইডেনে আজীবন বিনা পয়সায় খেলা দেখার সুযোগ । আমিও একটা টিকিট কেটেছিলাম । লাগে নি বলাই বাহুল্য, তবে এই ভেবে সান্ত্বনা পেয়েছিলাম যে সল্ট লেক স্টেডিয়ামের একটা ইঁট অন্ততঃ আমার (মানে বাবার) টাকায় কেনা ! এই মাঠে কত খেলা যে দেখেছি তার হিসেব নেই । ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান ম্যাচ – কানায় কানায় ভর্তি মাঠের এক লক্ষ কুড়ি হাজার দর্শক গলা ফাটিয়ে চেঁচাচ্ছে – সেই উন্মাদনার জুড়ি জীবনে খুব বেশি পাইনি কখনো । ব্যাঙ্গালোরে ছাত্র অবস্থায় বেশ কিছু খেলা দেখেছি, কিন্তু কুড়িয়ে-বাড়িয়ে হাজার দশ-পনেরো দর্শক, তাও আবার মূলতঃ মিনমিনে টাইপের – আনন্দ পাই নি একটুও । হংকং-য়ে থাকার সময় একবার খবর পেলাম ইস্টবেঙ্গল আসছে খেলতে – বোধহয় এশিয়া ক্লাব কাপ বা ঐরকম কিছু – লোকাল একটা ক্লাবের বিরুদ্ধে । দুই বন্ধু গিয়ে হাজির হলাম । রাত্রি আটটা নাগাদ ম্যাচ শুরু হলো । বেশ ঠান্ডা, চার-পাঁচ ডিগ্রি হবে। মোটামুটি বড় স্টেডিয়াম, এবং প্রায় ভর্তি। ফার্স্ট হাফের শেষে আমরা হারছি বোধহয় ০-৪ । গ্যালারির লোকজন কিছুক্ষণের মধ্যেই আমাদের দুজনকে মার্কা মেরে রেখেছে – চেহারা দেখে। একটা করে গোল হয়, আর সবাই আমাদের উদ্দেশ্যে আরও বেশি করে চেঁচাতে থাকে! দ্বিতীয়ার্ধে ইস্টবেঙ্গল একটা গোল করতেই আমরা যথাসাধ্য গলা ফাটিয়ে চেঁচাতে লেগেছি (আর বিশেষ দেশী দর্শক ছিল না মাঠে) – তো আশেপাশের চৈনিক জনগণও চিৎকার শুরু করল, এবার আমাদের সান্ত্বনা দিয়ে ! শেষ পর্যন্ত বোধহয় ৫-১ বা ৬-১ হয়েছিল সেদিন। তবে মজা হয়েছিল বেশ ! এইরকম পরিস্থিতিতে কলকাতা মাঠে ভয়াবহ কাণ্ড ঘটে শুনেছি । ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান-জাতীয় খেলায় গ্যালারি আলাদা থাকে, টিকিট কাটার সময় যে যে-দলের সমর্থক সেইদিকের টিকিট কাটতে হয় । ভুল করে বা না জেনে কেউ বিপক্ষের গ্যালারিতে বসলে এবং তা কোনোভাবে প্রকাশ পেলে প্রাণসংশয় পর্যন্ত হতে পারে! আমাদের পাড়ার বাবুয়া – একবার এইরকম ভুল জায়গায় বসেছে… বোধহয় নিজের গ্যালারির সব টিকিট শেষ, কিন্তু খেলাটা দেখতেই  হবে – এইরকম কোনো বিশেষ কারণে । অনেকক্ষণ চেপেচুপে ছিল, কিন্তু শেষে তার দল গোল দেওয়ায় আর সামলাতে পারেনি, আনন্দে একটু চেঁচিয়ে ফেলেছে । ব্যাস, আর যাবে কোথায় ! তার নিজের মুখেই শোনা… বাকি সময়টা পিছন থেকে শত্রুপক্ষের সমর্থকেরা হাতের তালুতে থুতু দিয়ে তার মাথায় অবিরাম চাঁটা মেরে গেলো ! এক মাথা দুর্গন্ধযুক্ত আলু নিয়ে সেদিন নাকি বাড়ি ফিরেছিল সে !

ময়দানে কলকাতা লিগের ম্যাচও অনেক দেখেছি । আমি যে দলের সমর্থক (নাম বলবো না) তাদের মাঠে । একটু আগে গিয়ে টিকিটের লাইন দিতে হতো । তারপর কাঠের গ্যালারিতে বসে খেলা দেখা । অনেকসময়ই হয়েছে যে তুমুল বৃষ্টি, মাঠে কোনো আচ্ছাদন নেই, স্মার্টলি ব’সে ভিজতে ভিজতে খেলা দেখছি । ছাতার সাথে আমাদের কোনো সম্পর্ক ছিল না কখনো, কিন্তু থাকলেও কোনো লাভ হতো না ওখানে। দু-একবার দেখেছি কেউ ছাতা খোলার চেষ্টা করায় পিছনের দর্শকরা কিরকম হেনস্থা করেছে তাদের । টিকিটের লাইন সামলানোর জন্য মাউন্টেড পুলিশ (সবাই বলতো “মাউন্টেন পুলিশ”) থাকত – ঘোড়ায় চড়া । একবার, নিজের চোখে দেখা … এক বদমাশ ছেলে পিছন থেকে চুপিচুপি গিয়ে ঘোড়ার পৌরুষবলয়দুটিতে দিয়েছে রাম-টিপুনি … ঘোড়া ভয়ংকর যন্ত্রণায় চিৎকার করে লাফাতে শুরু করেছে, আর পুলিশের প্রায় পিঠ থেকে পড়ে যাওয়ার মতো অবস্থা ! গ্যালারিতেও নানান বিচিত্র ঘটনা ঘটতো । এটা শোনা গল্প… একবার খেলা চলাকালীন একটা বছর আট-দশেকের ছেলে খেলোয়াড়দের উদ্দেশ্যে ক্রমাগত যাকে বলে কাঁচা খিস্তি তাই করে যাচ্ছে । নিজের দলের প্লেয়াররা ভালো না খেললে তাদের গালাগাল দেওয়া সবাই জন্মগত অধিকার বলেই মনে করে, কাজেই সেটা এমন কিছু অস্বাভাবিক নয় ফুটবল মাঠে । আসলে ছেলেটা নেহাতই বাচ্চা, তাই খানিকক্ষণ বাদে আশেপাশের লোকজনের একটু খারাপই লাগতে লেগেছে । ছেলেটির পাশে এক ভদ্রলোক, তার সাথেই সে এসেছে – গ্যালারির একজন তাকে বলেছে… “আপনি কি ওর বাবা ? ছেলে এত মুখ খারাপ করছে, কিছু করুন মশাই” । ভদ্রলোকের উত্তর – “হ্যাঁ, আমি ওর বাবা । খিস্তি করবে না, কী বলছেন দাদা ? দেখছেন না শু*রের বাচ্চাগুলো কিরকম মাল ছড়াচ্ছে” !

এতদিন পর এই গতবছর একটা আইপিএলের ম্যাচ দেখতে গিয়েছিলাম । ইডেনে। খুবই জাঁকজমক সন্দেহ নেই, কিন্তু প্রথমতঃ দর্শকাসন এখন অনেক কমে গেছে, তাই সেই জনসমুদ্র-মার্কা ভাবটা আর নেই, অন্ততঃ আমার চোখে। তাছাড়া ফুটবল মাঠের মজাটা পেলাম না কিছুতেই। বৃষ্টিতে ভেজা নাহয় ছেড়েই দিলাম (এই বয়সে এখন আর সহ্যও হবে না বোধহয়) … সবকিছুই একটু বেশি ট্যাঁশমতো লাগলো যেন। পপকর্ন, বার্গার, পিজ্জা, পেপসি, আরো কত রকমের আংরেজ খাওয়া-দাওয়া। সুসজ্জিত সব জনগণ, পারিবারিক পিকনিকের আবহাওয়া। অবশ্য ক্রিকেট মাঠ চিরকালই খানিকটা এইরকম। খিস্তি-খেউর হয় না মোটেই । আগে তো মহিলারা উল-টুল বুনতেন, সেসব পাট চুকে গেছে বহুদিনই । আর কমলালেবু খাওয়া ও ছোঁড়া হতো। এখন তারই আধুনিক সংস্করণ। বহু লোকই বেশি সময় মাঠের দিকে পেছন ফিরে কাটিয়ে দিলো – সেলফি না তুললে আর আসা কেন   প্রায় খালি পেটে একটু ভাঁড়ের চা মেরে লাইনে গুঁতোগুঁতি করে আশপাশের সীটের অজানা-অচেনা লোকগুলোর সাথে দলের উন্নতির বিবিধ পন্থা নিয়ে সুচিন্তিত আলোচনা – যেন তার ওপরেই দলের ভবিষ্যৎ সম্পূর্ণ নির্ভর করছে… আমার সেই ভালো। এখনও এইসব হয় কি? নাকি মেসি, রোনাল্ডো, বা মো-সালা নিয়েই ব্যস্ত আজকের বাঙালী প্রজন্ম? জানি না ঠিক। ইস্টবেঙ্গলের থেকে চেলসির সমর্থক কি কলকাতায় বেশি এখন, বা মোহনবাগানের চেয়ে ম্যানইউ-র? পাঠকদের মধ্যে কারো জানা থাকলে আলোকিত করবেন প্লিজ।

আর একটা প্রশ্ন সবসময় ঘোরে মাথায়। বাঙালীরা কি ফুটবল তত খেলে না আজকাল, নাকি অন্যান্য রাজ্যের ছেলেরা বেশি বেশি খেলে ? আগে জাতীয় দলে প্রথম এগারোর প্রায় ন’জনই থাকত বাংলার খেলোয়াড় – হয় বঙ্গসন্তান, অথবা ভিন রাজ্যের কিন্তু কলকাতা থেকেই ফুটবলার হিসাবে খ্যাতি লাভ করা। এখন তো সে জায়গায় দু-তিনজনের বেশি দেখি না কখনোই? আর জাতীয় দল না হয় ছেড়েই দিলাম – আমাদের ঘরের সব ক্লাব, পরম ঐতিহ্যমন্ডিত – সেখানেও তো কিসব বিচিত্র নামের খেলোয়াড় দেখি ! কিছুদিন আগে … আমার এক ভয়ংকর রকমের মোহনবাগানী বন্ধু – দল কি একটা খেলায় জিতেছে, গোল করেছে সোনি … ফেসবুকে লিখেছে – “সোনি ইজ ব্রিলিয়ান্ট” (বা ঐরকম কিছু)। আমি কমেন্ট করেছি যে হ্যাঁ, দারুণ পিকচার কোয়ালিটি! বন্ধুটি খোরাকটা বুঝতে একটু সময় নিয়েছিল সেদিন। আমার কথা হলো যে ঘরের ছেলেরা সব গেলো কোথায় ? সুরজিৎ, গৌতম-প্রসূন, সমরেশ-সুধীর, কিংবা সুব্রত-মনা, মানস-বিদেশ, বা ভাস্কর-শিবাজী, অথবা সুদীপ-কৃশানু ? তার বদলে এরা কারা সব… ওয়াটসন, ইউসা, বা ডুডু ? বোধহয় আশি সাল নাগাদ ইস্টবেঙ্গলে এসেছিল মজিদ বাশকর, সাথে জামশেদ নাসিরি – ইরান থেকে । তখন বলা হতো যে মজিদের মতো অত ভালো খেলোয়াড় ভারতে আর খেলে নি কখনো। সেই বোধহয় শুরু। তারপর আস্তে আস্তে তারাই যেন কখন বেশি প্রাধান্য পেয়ে গেছে। আমার দুই তুতো-দাদাদের খুব কাছ থেকে দেখেছি – তারা ফুটবলার ছিল, “বড়” ক্লাব অবধি পৌঁছতে পারে নি যদিও । স্কুলে আমাদের অনেক সিনিয়র – প্রদীপদা – ইস্টবেঙ্গলে খেলেছে। আমাদের পাড়ার অনুদা … এখন কলকাতা গেলেই দেখি মোড়ের মাথায় রকে বসে বিড়ি ফুঁকছে… সেও তাই । তখন শুনতাম বিশেষতঃ গ্রাম-গঞ্জের খুব গরীব ঘরের ছেলে কিন্তু ফুটবলটা রক্তে এরকম অনেকের কথা। তারা সেই নিয়েই লেগে থাকত। স্রেফ কলের জল খেয়ে প্র্যাকটিসে আসার গল্পও শুনেছি । উদ্দেশ্য একটাই – কোনোভাবে বড় ক্লাবে খেলা, এবং সেই সূত্রে একটা চাকরি। এখন কী পাল্টেছে – রক্তে ফুটবল নিয়ে কম বাঙালি জন্মায়, না কি অন্যান্য উপায়ে চাকরি পাওয়া অনেক সহজ হয়ে গেছে? উত্তরটা খুব জানতে চাই আমি। কৌতূহলী মন তো!

(ব্যাঙ্গালোর নিবাসী, পেশায় সফটওয়্যার এঞ্জিনিয়ার । মাঝে-মধ্যে লেখার বাতিক । হাস্যরসের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট ।)

Leave A Reply