শনিবার, অক্টোবর ১৯

রাজকোষে অর্থ নেই, আমেরিকায় গিয়ে দূতের বাড়িতেই থাকবেন ইমরান

দ্য ওয়াল ব্যুরো : আগামী ২১ জুলাই আমেরিকা সফরে যাচ্ছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। সেদেশে গেলে বরাবরই তিনি থাকেন বিলাসবহুল হোটেলে। তার খরচ বহন করে পাকিস্তানের সরকার। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে প্রবল আর্থিক সংকটে পড়েছে পাকিস্তান। তাই ইমরান স্থির করেছেন, তিন দিনের আমেরিকা সফরে আর হোটেলে থাকবেন না। সেখানে পাকিস্তানের দূতের যে সরকারি বাসভবন আছে, সেখানেই থাকবেন।

পাকিস্তানের দৈনিক সংবাদপত্র ‘দি ডন’ জানিয়েছে, ইমরান যদি আমেরিকায় গিয়ে পাকিস্তানের দূত আসাদ মজিদ খানের সরকারি বাসভবনে থাকেন, তাহলে সফরের খরচ অনেক কমবে সন্দেহ নেই। কিন্তু ওয়াশিংটনের নগর প্রশাসন বা আমেরিকার গোয়েন্দারা এই বন্দোবস্তকে ভালো চোখে দেখছে না।

আমেরিকায় কোনও বিদেশী রাষ্ট্রপ্রধান এলে তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্ব নেয় সেদেশের সিক্রেট সার্ভিস। অন্যদিকে নগর প্রশাসন লক্ষ রাখে, বিদেশী রাষ্ট্রপ্রধানের যাতায়াতের ফলে শহরের স্বাভাবিক যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে কিনা। প্রতি বছর ওয়াশিংটনে বিদেশী রাষ্ট্রের কয়েকশ প্রেসিডেন্ট এবং প্রধানমন্ত্রী আসেন। তাঁদের উপস্থিতিতে যাতে শহরের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত না হয়, সেজন্য যৌথভাবে কাজ করে নগর প্রশাসন ও আমেরিকার ফেডারেল গভর্নমেন্ট।

পাকিস্তানের দূতের সরকারি বাসভবন ওয়াশিংটনের একেবারে কেন্দ্রস্থলে। সেখানে আরও এক ডজন দূতাবাস আছে। ভারত, তুরস্ক এবং জাপানের দূতেরাও সেখানেই থাকেন। কোনও বিদেশী রাষ্ট্রপ্রধান আমেরিকায় গেলে সেদেশের সরকারের নানা দফতরের কর্তা, জনপ্রতিনিধি ও মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলেন। কিন্তু দূতের সরকারি বাসভবনে অত বেশি লোক যেতে পারবেন না। অত জায়গাই নেই সেই বাড়িতে। ফলে ইমরানকে বার বার দূতাবাসে আসতে হবে। সেখানে তিনি সাংবাদিক সম্মেলন করবেন। সেক্ষেত্রে ওয়াশিংটনের ব্যস্ত সময়ে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটার সম্ভাবনা আছে।

Comments are closed.